Monday , July 4 2022
Home / স্বাস্থ্য সেবা / ডেঙ্গু জ্বর হলে শিশুর জন্য প্রয়োজন বিশ্রাম

ডেঙ্গু জ্বর হলে শিশুর জন্য প্রয়োজন বিশ্রাম

জুন-জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরের মৌসুম। এ সময় শিশুরাও এতে আক্রান্ত হয়।
তবে বড়দের সঙ্গে শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ-উপসর্গে কিছু অমিল আছে। ছোট্ট শিশুদের ডেঙ্গুর লক্ষণগুলো শুরু হয় আর দশটা সাধারণ ভাইরাস জ্বরের মতোই। জ্বর হবে উচ্চ তাপমাত্রার, ১০৪ বা ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট অবধি উঠতে পারে পারদের কাঁটা। সঙ্গে ভাইরাল ফ্লুর মতো নাকে সর্দি, খুসখুস কাশিও থাকতে পারে।

 

ডেঙ্গু জ্বর
ডেঙ্গু জ্বর হলে শিশুর জন্য প্রয়োজন বিশ্রাম

ডেঙ্গু জ্বর হলে শিশুর জন্য প্রয়োজন বিশ্রাম

তবে খেয়াল করুন জ্বরের দু-তিন দিনের মাথায় ত্বকে লাল দানা বা র্যাশ দেখা দেয় কি না। একটু বড় শিশুরা মাথাব্যথা, চোখব্যথা বা হাড়ে সন্ধিতে ব্যথার কথা বলতে পারবে। ছোট শিশুরা এসব বলতে পারে না, তবে খুবই নিস্তেজ হয়ে পড়ে। খাবারে অরুচি, বমি ভাব বা বমি, পায়ে হাতে চুলকানিও হতে পারে।
সাধারণ ডেঙ্গুর তেমন ভয়ের কিছু নেই, তবে ডেঙ্গুর জটিলতাগুলো খারাপ দিকে মোড় নিতে পারে। রক্তক্ষরণ, যকৃতের সমস্যা, মলের সঙ্গে রক্ত, মস্তিষ্কে সংক্রমণ বা এনকেফালোপ্যাথি ইত্যাদি বড়দেরই বেশি হয়। শিশুদের নাক দিয়ে রক্ত পড়া, মাড়িতে রক্তপাত, যকৃৎ একটু বড় হওয়া ইত্যাদি জটিলতা দেখা যায়। তবে ঠিকমতো পানির অভাব পূরণ না হলে শিশুরা দ্রুত পানিশূন্যতায় ভোগে। আর রক্ত সংবহন নালিগুলো অধিকতর নাজুক হওয়ায় শিশুদের শক সিনড্রোমে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
শিশুর ডেঙ্গু হলে ঘাবড়ে না গিয়ে সঠিক যত্ন ও চিকিৎসা নিন।
-‘নো ওয়ার্ক’, ‘নো প্লে’, ‘নো স্কুল’—সম্প্রতি শিশুদের উচ্চমাত্রার জ্বরে এই স্লোগান উঠেছে। কেননা, এই সময় পর্যাপ্ত বিশ্রাম দরকার শিশুর। প্রয়োজন মনে করলে হাসপাতালে ভর্তি করে দিন।
-খাওয়ার রুচি কমে যায় বলে এমন খাবার দিন যাতে যথেষ্ট পুস্টি আছে, যেমন- খিচুড়ি বা হালকা সহজপাচ্য খাবার।
-জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল বড়ি, সিরাপ বা সাপোজিটরি—যার জন্য যেটা প্রযোজ্য। কপালে ও গায়ে ভেজা কাপড়ের পট্টি কাজ দেবে।
-প্রচুর পানি, ডাবের পানি, স্যালাইন, জুস, লেবুর শরবত—একটু পরপরই শিশুর মুখে তুলে দিন।
-ডেঙ্গু প্রতিরোধে এই সময় শিশুকে হালকা রঙের ফুলহাতা জামা ও প্যান্ট পরাবেন, ঘুমিয়ে থাকলে অবশ্যই মশারি দেবেন। সকাল-সন্ধ্যা দুবেলা শিশুর ঘরের দরজা-জানালা আটকে মশা প্রতিরোধক স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু ওই সময় শিশুকে ঘরের বাইরে রাখবেন।

 

সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। প্রতিদিনের আপডেট পেতে আমাদের Facebook লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন।
ধন্যবাদ।

শেয়ার করতে ভুলবেন না

Check Also

এখানে খরচ

এখানে খরচ নাই ওষুধ পাই বিনা মূল্যে

এখানে খরচ নাই,ওষুধ পাই বিনা মূল্যে নরসিংদী সাদত স্মৃতি পল্লী প্রকল্পে যারা ডাক্তার দেখাতে ইচ্ছুক, ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.