Saturday , July 2 2022
Home / মহিলার স্বাস্থ্য / মেয়েদের বুকের নিপল গোলাপী করার ঘরোয়া পদ্ধতি কি?

মেয়েদের বুকের নিপল গোলাপী করার ঘরোয়া পদ্ধতি কি?

গোলাপী নিপল পেতে হলে প্রয়োজন চিনি(sugar) , মধু, লেবু, স্ট্রবেরি এবং একটু অলিভ অয়েল(oil)। এবার ঝটপট অনুসরণ করুন নিচের পদ্ধতিগুলি।
নিপল গোলাপী করার ঘরোয়া পদ্ধতি
ঘরোয়া নিপলবাম: মেয়েদের বুকের নিপল পাওয়ার জন্য ঘরোয়া উপায়েই তৈরী করা যায় নিপলবাম। দু’চামচ পেট্রোলিয়াম জেলির সঙ্গে এক চামচ স্ট্রবেরি মিশিয়ে একটি নিপলবাম তৈরী করা যেতে পারে। প্রতিদিনের নিয়মিত ব্যবহারের ফলে উপকার পাওয়া যাবে।

মেয়েদের বুকের নিপল
মেয়েদের বুকের নিপল গোলাপী করার ঘরোয়া পদ্ধতি কি

মেয়েদের বুকের নিপল গোলাপী করার ঘরোয়া পদ্ধতি কি

 

চিনির স্ক্রাব: চিনি (sugar) প্রাকৃতিক এক্সফলিয়েটর হিসেবে কাজ করে। ত্বকের উপর জমে থাকা মৃত কোষ দূর করে নিপলের রং হালকা করতে সাহায্য করে। দু’চামচ মাখনের সঙ্গে তিন চামচ চিনি(sugar) মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরী করতে হবে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন এই স্ক্রাব ব্যবহারে নিপলের রং হালকা হবে।
নিপলের ঘরোয়া স্ক্রাব: দুধ(breast) এবং হলুদগুঁড়া মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরী করতে হবে। নিপল ভিজিয়ে নিয়ে একটি নরম ব্রাশ দিয়ে আলতোভাবে নিপল ঘষে নিতে হবে। এরপর সামান্য পেস্ট নিয়ে নিপলে লাগিয়ে দুই থেকে তিন মিনিট অপেক্ষা করার পর নিপল ধুয়ে নিতে হবে। শুকিয়ে যাওয়ার পর নিপল বাম লাগিয়ে নিতে হবে।
লেবুর রস: প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান হিসেবে পরিচিত লেবু। তাই নিপলের কালচেভাব দূর করতেও লেবু দারুণভাবে কার্যকর। এক টুকরা লেবু নিয়ে নিপলে ঘষে নিলেই উপকার পাওয়া যাবে। এইভাবে প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে লেবুর রস মেখে ঘুমালে নিশ্চিত উপকার পাওয়া যাবে।
নিপল-গোলাপি
লেবু ও চিনির(sugar) স্ক্রাব: এক চামচ লেবুর রস, সামান্য নারিকেল তেল ও দু’চামচ চিনি (sugar) ভালোভাবে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরী করতে হবে। চাইলে আরও খানিকটা চিনি (sugar) মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এই মিশ্রনে চিনির (sugar) পরিমান বেশী থাকবে। এই স্ক্রাব নিপলে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মালিশ করতে হবে। নরম এবং ছোট একটি টুথব্রাশ দিয়েও ঘষে নেওয়া যেতে পারে। হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে নিপল বাম লাগিয়ে নিতে হবে।</p>

মধু: রোজকার দূষণ অথবা বাহ্যিক কোনও কারণে নিপলের রং কালচে হয়ে গেলে তা ঠিক করতে মধু বেশ কার্যকর। রাতে ঘুমানোর আগে নিপলে মধু মেখে ঘুমানো যেতে পারে। এতে সারারাত নিপলের নমনীয়তা বজায় থাকে। তাই নিপলের কালচেভাব দূর হয় এবং নিপলে গোলাপীভাব যুক্ত হয়।
অলিভ ওয়েল: অলিভ ওয়েলে রয়েছে ভিটামিনসহ নানারকম খনিজ উপাদান। প্রতিদিন ঘুমানোর সময় নিপলে অলিভ অয়েল (oil)লাগিয়ে ঘুমালে নিপল কোমল হয় এবং নিপলের নমনীয়তা বজায় থাকে।
উপরে উল্লিখিত পদ্ধতিগুলি অনুসরণ করার মাধ্যমে মাত্র আপনি পেয়ে যেতে পারেন সুন্দর, নরম ও গোলাপী নিপল। যা কিনা আপনার সৌন্দ্যর্যকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে তুলবে।
<strong>বুকের দুধ বাড়ানোর কিছু প্রাকৃতিক উপায়
বুকের দুধ (breast) খাওয়ানোর জন্য প্রতিটি চেষ্টাই খুবই মূল্যবান। কারন শিশুর কমপক্ষে এক বছরের খাদ্য হিসেবে মায়ের বুকের দুধ সর্বোৎকৃষ্ঠ। বুকের দুধ(breast) শিশুর সকল পুষ্টির চাহিদা তো পূরণ করেই, সাথে সাথে শিশুর শরীরে অ্যান্টিবডি (Antibody) তৈরি করে যা শিশুকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে, অ্যালার্জি (Alergy) প্রতিরোধ করে এবং বেড়ে ওঠার সাথে সাথে অ্যাজমা ও ওবেসিটির ঢাল হিসেবে কাজ করে। বুকের দুধ (breast)খাওয়ানো মাকে তার গর্ভকালীন সময়ে বৃদ্ধি পাওয়া ওজন দ্রুত কমাতেও সহায়তা করে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, যে সকল মায়েরা তাদের সন্তানদের বুকের দুধ খাওয়ান তাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার (Breast Cancer ) ও ওভারিয়ান ক্যান্সার (Ovarian Cancer) হবার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।</p>

এতকিছুর পরেও অনেক মায়েরাই তাদের শিশুদেরকে বুকের দুধ (breast)খাওয়াতে পারেন না। কারন তাদের পর্যাপ্ত বুকের দুধ হয় না। পর্যাপ্ত বুকের দুধ না হওয়ার অন্যতম প্রধান কারনগুলো হল, অপর্যাপ্ত খাদ্য ও তরল গ্রহন, অধিক ধকল নেওয়া এবং বাচ্চাকে বেশি অনিয়মিতভাবে ভাবে অথবা খুব অল্প সময়ের জন্য বুকের দুধ (breast)খাওয়ানো।
বুকের দুধ বা(breast)ড়ানোর কিছু প্রাকৃতিক কিছু টিপস্‌
(১) সুষম খাবার (food) গ্রহন। প্রতিদিন ২,৫০০ ক্যালরি গ্রহন করতে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
(২) প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা। মায়ের শরীর কখনোই পর্যাপ্ত দুধ (breast)উৎপাদন করতে পারে না যদি পানি পানের পরিমাণ কম হয়।
(৩) রাতে যতটুকু সম্ভব নিশ্চিন্তে ঘুমানো এবং দিনের বেলাতেও শিশু ঘুমানো অবস্থায় অল্পক্ষণের ঘুম দিয়ে নেয়া।
(৪) নিয়মিত কিছু হালকা ব্যায়াম করা।
(৫) বাসার আত্মীয়-স্বজনদের সাথে কাজ ভাগ করে নেওয়া, যাতে একার উপর চাপ বেশি না পড়ে।
(৬) ঘন ঘন বাচ্চাকে বুকের দুধ (breast)খাওয়ালে বুকের দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
(৭) প্রতিদিন এক বাটি করে ওটমিল (Oatmeal) খাওয়া।

সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। প্রতিদিনের আপডেট পেতে আমাদের Facebook লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন।
ধন্যবাদ।

শেয়ার করতে ভুলবেন না

Check Also

এখানে খরচ

এখানে খরচ নাই ওষুধ পাই বিনা মূল্যে

এখানে খরচ নাই,ওষুধ পাই বিনা মূল্যে নরসিংদী সাদত স্মৃতি পল্লী প্রকল্পে যারা ডাক্তার দেখাতে ইচ্ছুক, ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.