Tuesday , January 18 2022
Home / পুরুষের স্বাস্থ্য / পুরুষের পিরোনির রোগ কি এবং কেন হয় জেনে নিন

পুরুষের পিরোনির রোগ কি এবং কেন হয় জেনে নিন

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো পুরুষের পিরোনির রোগ কি এবং কেন হয় সে সম্পর্কে। পুরুষের লিঙ্গ কিছুটা বাঁকানো অস্বাভাবিক নয়। তবে লিঙ্গে যদি আরও উল্লেখযোগ্য বাঁক পড়ে থাকে যাতে আপনার ব্যথা হয় বা যৌনমিলনে অসুবিধা হয় তবে এগুলি কখনও কখনও পিরোনির রোগের লক্ষণ হতে পারে।পুরুষের পিরোনির রোগ কি এবং কেন হয় জেনে নিন

পুরুষের পিরোনির
পুরুষের পিরোনির রোগ কি এবং কেন হয় জেনে নিন

পুরুষের পিরোনির রোগ কি এবং কেন হয় জেনে নিন

পুরুষের পিরোনির রোগ কি এবং কেন হয় জেনে নিন
পিরোনির (Peyronie’s) রোগ কী ?

পিরোনির রোগে লিঙ্গে প্লাস্টিকের মত শক্ত পিন্ড তৈরী হয়। লিঙ্গ খাড়া হওয়ার সাথে সাথে লিঙ্গটি বাঁকা হয়ে যায়। এই অবস্থাটি প্রায় চল্লিশ বছরের বেশি বয়সীদেরকে প্রভাবিত করে, যদিও এটি কোনও বয়সেই হতে পারে।

পেরোনির রোগের লক্ষণগুলি কি কি ?

পেরোনির রোগের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

অনেকক্ষেত্রে লিঙ্গ নরম থাকা অবস্হায় শক্ত পিন্ড পাওয়া যায়।
পুরুষাঙ্গ উত্থিত হলে তা যে কোন এক দিকে বেশী বাঁকিয়ে যায়।
লিঙ্গ উত্থানের পর লিঙ্গে ব্যথা হতে পারে।
লিঙ্গ দৈর্ঘ্য বা ঘের কমে যেতে পারে।
পুরুষাঙ্গ অনেক ক্ষেত্রে বালুঘড়ি মত মাঝখানে চিকন হয়ে যায়।
পিরোনির রোগের ফলে লিঙ্গ উত্থানে সমস্যা হতে পারে।
তবে পিরোনির রোগ মারাত্মক আকারে হলে লিঙ্গে বাঁকানো যৌনসম্পর্ককে কষ্টকর, বেদনাদায়ক এমনকি অসম্ভব ও করে তুলতে পারে।

পিরোনির রোগের কারণ কি ?

পেরোনির রোগের কারণ এখনও বোঝা যায়নি। এটা মনে করা হয় যখন লিঙ্গ খাড়া হওয়ার সময় কখনও কখনও লিঙ্গতে আঘাতের পরে এ রোগ হয় ,যেমন যৌনতার সময় বাঁকানো।তবে এটি কোনও স্পষ্ট কারণ ছাড়াই হতে পারে। পিরোনির রোগের সাথে জেনেটিক সম্পর্ক রয়েছে। এ রোগ বংশপরম্পরায় থাকতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে পেরোনির রোগের সাথে ডুপুটেন কন্ট্রাকচার রোগের সম্পর্ক রয়েছে। এই রোগে হাত ও পায়ের তালু শক্ত হয়ে যায়।

পেরোনির রোগের জন্য মেডিকেল চিকিৎসাঃ

অনেক পুরুষের চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না, কারণ তাদের ব্যথা হয় না বা এ রোগ তাদের যৌন ক্রিয়াকে প্রভাবিত করে না। কখনও কখনও চিকিৎসা ছাড়াই অবস্থার উন্নতি হতে পারে। আক্রান্ত অঞ্চলে স্টেরয়েড বা ভেরাপামিল, কোলাজিনেস ইনজেকশন দেয়া হয়। অনেক ক্ষেত্রে মুখে খাবার জন্য ভিটামিন বা অন্যান্য ঔষধ দেয়া হয়। তবে তাদের কার্যকারিতার সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

পেরোনির রোগের আর একটি চিকিৎসা হচ্ছে এক্সট্রাকোরপোরিয়াল শকওয়েভ থেরাপি। এখানে কম মাত্রার শকওয়েভ থেরাপি আক্রান্ত স্থানে ব্যাবহার করা হয়, তবে এই চিকিৎসায় ব্যাথা কমলেও বাঁকানো সমস্যা থেকে যেতে পারে।

পেরোনির রোগের জন্য অস্ত্রোপচারের চিকিৎসা:

গুরুতর ক্ষেত্রে, শল্যচিকিৎসার মাধ্যমে পিরোনির রোগের চিকিত্সা করা সম্ভব হতে পারে। তবে চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের বিষয়ে বিবেচনা করার আগে কমপক্ষে ১২ মাস অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন, কারণ কিছু পুরুষের চিকিৎসা ছাড়াই অবস্থার উন্নতি হতে পারে। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে লিঙ্গের বাঁকানো সোজা করা, লিঙ্গের শক্ত পিন্ড ফেলে দেয়া বা লিঙ্গ সোজা করার জন্য একটি প্রস্থেটিক ডিভাইস রোপন করা হয়

আরো কিছু পোস্ট আপনার জন্য প্রয়োজনে দেখতে পারে

যে জনপ্রিয় সেক্স পজিশন গুলো ব্যবহৃত হয় যুক্তরাজ্যে

https://www.latestbangla.com/archives/15608

শারীরিক সম্পর্কের বিকল্প পন্থা ফোন সেক্স জেনে নিন

https://www.latestbangla.com/archives/15602

সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। প্রতিদিনের আপডেট পেতে আমাদের Facebook লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন।

শেয়ার করতে ভুলবেন না

Check Also

অমিক্রনের বিরুদ্ধে

অমিক্রনের বিরুদ্ধে কার্যকর অ্যাস্ট্রাজেনেকার বুস্টার ডোজ

অমিক্রনের বিরুদ্ধে কার্যকর অ্যাস্ট্রাজেনেকার বুস্টার ডোজ করোনার অতিসংক্রামক ধরন অমিক্রনের বিরুদ্ধে কার্যকর অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার বুস্টার ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *